বাংলাদেশে শুরু হয়েছে ৫জি যুগ। দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন (GP) ইতিমধ্যে নির্বাচিত কিছু শহরে সীমিত পরিসরে ৫জি সেবা চালু করেছে।
রাজধানী ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, খুলনা এবং সিলেটের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লোকেশনে এখন গ্রামীণফোন ৫জি ব্যবহার করা যাচ্ছে।

ঢাকায় গ্রামীণফোন ৫জি কভারেজ
রাজধানী ঢাকায় সবচেয়ে বিস্তৃতভাবে চালু হয়েছে ৫জি নেটওয়ার্ক।
কভারেজ লোকেশনগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, গুলশান-১ ও গুলশান-২, বনানী, বারিধারা DOHS
- বিজয় সরণি, ফার্মগেট, বাংলামোটর, সচিবালয়, কমলাপুর, কারওয়ান বাজার
- শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, মহাখালী ফ্লাইওভার, মিরপুর ১০ গোলচত্বর
- শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, জাতীয় স্মৃতিসৌধ (সাভার), আশুলিয়া, সাভার ইপিজেড ইত্যাদি।
এছাড়াও সংসদ ভবন, আবাহনী মাঠ, বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কসহ আরও অনেক জায়গায় ৫জি চালু হয়েছে।
কক্সবাজার
- ডলফিন মোড়
- সমিতিপাড়া
- মেরিন ড্রাইভ প্রবেশমুখ
পর্যটকদের জন্য দ্রুত লাইভ ভিডিও ও ইন্টারনেট ব্যবহারে এটি নতুন অভিজ্ঞতা আনছে।
চট্টগ্রাম
- অলঙ্কার মোড়
- পতেঙ্গা সি-বিচ
- কর্ণফুলী টানেল টোল প্লাজা
রাজশাহী
- রাজশাহী মেডিকেল কলেজ
- আলুপট্টি
- স্পুরা, কদমতলা মোড়, কাদিরগঞ্জ মোড়
রংপুর
- পাকামাথা
- রংপুর সেনানিবাস
- ধাপ ক্যান্টনমেন্ট রোড
- ইসলামপুর-হনুমানতলা
বরিশাল
- নতুনবাজার মোড়
- রূপাতলী হাউজিং
- ধান গবেষণা রোড
- লঞ্চঘাট এলাকা
খুলনা
- খুলনা মেডিকেল কলেজ প্রবেশপথ
- সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড
- গল্লামারী মোড়
সিলেট
- সাহেবেরগাঁও, টুকেরবাজার, পাঠানটুলি
- কাজল শাহ মেডিকেল রোড, সাদিপুর, পীর মহল্লা
- জিন্দাবাজার, রোজভিউ হোটেল সংলগ্ন এলাকা
- পল্লবী, পনিটুলা, উজ্জীবন-২ আবাসিক এলাকা
কীভাবে ৫জি ব্যবহার করবেন?
নতুন সিম লাগবে না, আপনার বর্তমান ৪জি সিমেই কাজ করবে।
শুধু আপনার ফোনটি ৫জি সাপোর্টেড হতে হবে।
ফোন সেটিংসে গিয়ে “5G” চালু করে একবার রিস্টার্ট দিন।
কভারেজ এলাকায় থাকলে অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই বর্তমান ডেটা প্যাকেই ৫জি ব্যবহার করতে পারবেন।
ঢাকা থেকে শুরু করে বিভাগীয় শহর ও পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার পর্যন্ত এখন গ্রামীণফোন ৫জি চালু হয়েছে। যদিও আপাতত সীমিত পরিসরে পাওয়া যাচ্ছে, ধীরে ধীরে এটি সারা বাংলাদেশে বিস্তৃত হবে।
👉 আপনি যদি উপরের কভারেজ এলাকার ভেতরে থাকেন, তবে আজই ফোনে ৫জি চালু করে নতুন গতির ইন্টারনেট উপভোগ করতে পারেন।
এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ডিজিটাল যাত্রায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।
